রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে চলমান তীব্র সংঘাতে পাল্টাপাল্টি হামলায় হতাহতের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, এই সংঘাতে চলতি বছর বেসামরিক মানুষের প্রাণহানি যুদ্ধের শুরুর
দিকের মাসগুলোর পর সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় ইউক্রেনকে নতুন করে মিসাইল প্রতিরোধী ক্ষেপণাস্ত্র সরবরাহের জোরালো প্রতিশ্রুতি দিয়েছে ফ্রান্স।
ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক বার্তায় জানান, রাশিয়ার নিরবচ্ছিন্ন আগ্রাসন প্রতিহত করতে ইউক্রেনের আকাশ সুরক্ষাকে প্রয়োজনীয় সব ধরনের সক্ষমতা প্রদান করা অত্যন্ত জরুরি। সাম্প্রতিক
মাসগুলোতে রাশিয়া বিশেষ করে রাজধানী কিয়েভসহ বিভিন্ন অঞ্চলে দ্রুতগতির ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা বাড়িয়ে দিয়েছে, যা প্রতিহত করা ইউক্রেনের জন্য বেশ কঠিন হয়ে দাঁড়াচ্ছে।
এদিকে, ফ্রান্স ও যুক্তরাজ্যের নেতৃত্বাধীন মিত্র দেশগুলোর জোট পরিস্থিতি পর্যালোচনা করতে বৈঠকে বসছে। মস্কোকে আগ্রাসন বন্ধে বাধ্য করতে এবং কূটনৈতিক চাপ আরও বাড়াতে এই বৈঠকে বিস্তারিত আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় পূর্বের কিছু আলোচনা হলেও বর্তমানে কূটনৈতিক তৎপরতা কিছুটা মন্থর রয়েছে।
অন্যদিকে, ইউক্রেনীয় ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় রাশিয়ার বিভিন্ন অঞ্চলেও ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া গেছে। রাশিয়ার দক্ষিণাঞ্চলীয় ক্রাসনোদার এলাকার ইয়েস্ক জেলায় ড্রোন হামলায় বেসামরিক অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং হতাহতের
ঘটনা ঘটেছে। দুই পক্ষের এই ধারাবাহিক ও তীব্র হামলায় পুরো অঞ্চলে মানবিক সংকট আরও ঘনীভূত হচ্ছে। জাতিসংঘ জানিয়েছে, বর্তমান সংঘাতের মাত্রা বেসামরিক জনগণের জন্য মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে।