জর্ডান ও সংযুক্ত আরব আমিরাতে (ইউএই) অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটি লক্ষ্য করে ব্যালেস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইরান। এর জবাবে তেহরানের ওপর চরম ও বড় ধরনের সামরিক আঘাত হানার কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
সোমবার (৩১ আগস্ট) ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, মার্কিন বাহিনী ইরানি হামলার চরম জবাব দেবে। তবে তিনি দাবি করেন, তাদের অত্যাধুনিক আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ইরানের বেশিরভাগ ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানার আগেই সফলভাবে ধ্বংস করেছে।
হামলার পটভূমি ও সার্বিক পরিস্থিতি নিচে তুলে ধরা হলো:
আইআরজিসির পাল্টা হামলা: ইরানের ইসলামি রিভোল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) নিশ্চিত করেছে যে, তারা জর্ডানের কিং হোসেন ও আজরাক বিমান ঘাঁটিতে ব্যালেস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র এবং ইউএই-র আল মিনহাদ বিমান ঘাঁটিতে ড্রোন হামলা চালিয়েছে।
হামলার কারণ: সম্প্রতি পারস্য উপসাগরের কৌশলগত লারাক দ্বীপে মার্কিন সামরিক অভিযানের জবাবেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে দাবি আইআরজিসির। হরমুজ প্রণালিতে নৌ-মাইনিং ঠেকানোর অজুহাতে যুক্তরাষ্ট্র সেখানে হামলা চালিয়েছিল, যা গত জুলাইয়ের পর ইরানি ভূখণ্ডে যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম বড় হামলা।
কূটনৈতিক সংশয়: ট্রাম্প জানান, তেহরান আলোচনার আগ্রহ দেখালেও তাদের ওপর বিশ্বাস রাখা কঠিন।
অর্থনৈতিক চাপ: যুক্তরাষ্ট্র সম্প্রতি ‘অপারেশন ইকোনমিক আউটকাস্ট’ নীতি চালুর মাধ্যমে ইরানের তেল, নৌপরিবহন, সোনা ও ডিজিটাল সম্পদ খাতের আর্থিক লেনদেন অবরুদ্ধ করার পদক্ষেপ নিয়েছে, যাকে তেহরান "অর্থনৈতিক সন্ত্রাসবাদ" হিসেবে অভিহিত করেছে