দেশের সমুদ্রগামী, উপকূলীয় ও অভ্যন্তরীণ জলসীমায় চলাচলকারী নৌযানের সমন্বিত তথ্যভান্ডার (ডাটাবেজ) তৈরির লক্ষ্যে দেশে প্রথমবারের মতো নৌযান শুমারি শুরু হচ্ছে।
আগামী ২০ থেকে ২৯ আগস্ট এ শুমারি পরিচালনা করবে নৌপরিবহন অধিদফতর ও বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস)। শুমারির প্রতিপাদ্য, ‘নৌযান শুমারি সফল করি, সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ি।’
সোমবার (৩ আগস্ট) দুপুরে খুলনা বিভাগীয় কমিশনারের সম্মেলনকক্ষে বিভাগীয় পর্যায়ে নৌযান-সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের অবহিতকরণ সেমিনারে এ তথ্য জানানো হয়।
সেমিনারে জানানো হয়, নৌপরিবহন খাতে নৌযানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, দুর্ঘটনা কমানো, এ খাতে নিয়োজিত জনবলের জীবনমান উন্নয়ন এবং নৌপরিবহন ব্যবস্থার পরিকল্পিত উন্নয়নের জন্য একটি সমন্বিত ডাটাবেজ তৈরি করাই এ শুমারির মূল উদ্দেশ্য।
শুমারির আওতায় থাকবে বাংলাদেশের সমুদ্রগামী, উপকূলীয় ও অভ্যন্তরীণ জলসীমায় চলাচলকারী সব ইঞ্জিনচালিত নৌযান। এ ছাড়া ডাম্ববার্জ এবং ইঞ্জিনচালিত না হলেও অন্য নৌযান দিয়ে টেনে বা ধাক্কা দিয়ে পরিচালিত সব ধরনের নৌযানও শুমারির অন্তর্ভুক্ত হবে। তবে সামরিক বাহিনীর মালিকানাধীন ও তাদের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত নৌযান, যদিও সেগুলো অন্য কোনো বাহিনী বা সংস্থার কার্যক্রমে নিয়োজিত থাকে, সেগুলো শুমারির আওতার বাইরে থাকবে।
সেমিনারে উপস্থাপিত তথ্য অনুযায়ী, সারা দেশে লিস্টিং কার্যক্রমে মোট ২ লাখ ৪৪ হাজার ৮০৮টি ইঞ্জিনচালিত নৌযান শনাক্ত হয়েছে। এর মধ্যে ঘাটভিত্তিক নৌযান ১ লাখ ৭৪ হাজার ৪৭টি এবং খানাভিত্তিক নৌযান ৭০ হাজার ৭৬১টি। খুলনা বিভাগে মোট ১০ হাজার ৩২৭টি নৌযান পাওয়া গেছে। এর মধ্যে ঘাটভিত্তিক ৭ হাজার ৪১৪টি এবং খানাভিত্তিক ২ হাজার ৯১৩টি।
এ জাতীয় আরো খবর..